এমবাপ্পেকে অধিনায়ক করে ফ্রান্সের দল ঘোষণা,স্কোয়াড বিশ্লেষণে আছেন যারা

 


বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মার্চ মাসের আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি হাইভোল্টেজ প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে France national football team। এই ম্যাচগুলোতে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে লাতিন আমেরিকার দুই শক্তিশালী দল Brazil national football team এবং Colombia national football team। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এই ম্যাচগুলো ফ্রান্স দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আগামী ২৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামবে ফরাসিরা। এরপর ২৯ মার্চ ওয়াশিংটনে কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে দলটি। দুটি ম্যাচই বিশ্বকাপের আগে নিজেদের কৌশল, দলীয় সমন্বয় এবং খেলোয়াড়দের ফর্ম যাচাই করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


ফ্রান্সের প্রধান কোচ Didier Deschamps জানিয়েছেন, এই আন্তর্জাতিক পর্ব শেষ হওয়ার পর আগামী ১৩ মে তিনি চূড়ান্ত বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করবেন। ফলে এই দুটি ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স দেখানো খেলোয়াড়দের জন্য দলে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে।


এই ম্যাচগুলোকে সামনে রেখে অধিনায়ক Kylian Mbappé-এর নেতৃত্বে শক্তিশালী দল ঘোষণা করা হয়েছে। এমবাপ্পে দলে ফিরে আসায় আক্রমণভাগে নতুন গতি এসেছে। বিশেষ করে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে তার সঙ্গে Vinícius Júnior-এর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে।


দলে বড় সুখবর হলো Ousmane Dembélé-এর প্রত্যাবর্তন। চোটের কারণে গত কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ মিস করলেও এবার তিনি আবার জাতীয় দলে ফিরেছেন। তার উপস্থিতি ফ্রান্সের আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


তবে চোটের কারণে দলে জায়গা হয়নি Bradley Barcola-র। তার পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন Randal Kolo Muani, যিনি ইতোমধ্যেই জাতীয় দলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।


ঘোষিত দলে গোলরক্ষক হিসেবে রয়েছেন লুকাস শ্যাভালিয়র, মাইক মাইগনান এবং ব্রাইস সাম্বা। রক্ষণভাগে লুকাস দিনিয়ে, মালো গুস্তো, লুকাস হার্নান্দেজ, থিও হার্নান্দেজ, পিয়েরে কালুলু, ইব্রাহিমা কোনাতে, উইলিয়াম সালিবা এবং দায়োত উপামেকানোর মতো নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়রা আছেন।


মাঝমাঠে রয়েছে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, এনগোলো কান্তে, মানু কোনে, আদ্রিয়েন র‌্যাবিয়ট, অঁরেলিয়ে শুয়ামেনি এবং ওয়ারেন জাইরে-এমেরির মতো প্রতিভাবান ফুটবলাররা, যারা দলকে আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই শক্তিশালী করবে।


আক্রমণভাগে ম্যাগনেস আকলিউচে, রায়ান চেরকি, দেজিরে দুয়ে, হুগো একিতিকে, মাইকেল ওলিসে, মার্কাস থুরাম, কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে এবং র‌্যান্ডাল কোলো মুয়ানির মতো খেলোয়াড়রা রয়েছেন। এই আক্রমণভাগ যে কোনো প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।


সব মিলিয়ে বলা যায়, মার্চ উইন্ডোর এই দুটি প্রীতি ম্যাচ ফ্রান্স দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স দলটির আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং বিশ্বকাপের আগে সেরা একাদশ নির্ধারণে কোচকে সহায়তা করবে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্যও এই ম্যাচগুলো হতে যাচ্ছে দারুণ উপভোগ্য ও উত্তেজনাপূর্ণ।

Next Post Previous Post

মন্তব্য করুন